০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home রাজনীতি কলকাতা Calcutta High Court:আপাতত ছাড়তে হচ্ছে না ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয়! দমকলের নোটিসে কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিরাজনীতি

Calcutta High Court:আপাতত ছাড়তে হচ্ছে না ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয়! দমকলের নোটিসে কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

Share
Calcutta High Court:আপাতত ছাড়তে হচ্ছে না ক্যামাক স্ট্রিটের কার্যালয়! দমকলের নোটিসে কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ
ফাইল ছবি।
Share

কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিটের রাজনৈতিক কার্যালয় খালি করার নির্দেশে এবার বড়সড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বহুতলের সপ্তম ও অষ্টম তলার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ দাবি করে দমকল দফতর যে অবিলম্বে অফিস খালি করার নোটিস জারি করেছিল, শুক্রবার তাতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের একক বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আপাতত দমকলের ওই নোটিসের ভিত্তিতে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এই বহুল চর্চিত মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবে আদালত, ততদিন পর্যন্ত বহাল থাকবে এই রক্ষাকবচ।

৯ ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বহুতলের কার্যালয়টি নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সম্প্রতি ভবনের ছাদ থেকে বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে কলকাতা পুরসভার আধিকারিক ও অভিষেক অনুগামীদের মধ্যে ধুন্ধুমার বেঁধেছিল। সেই জল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ানোর মাঝেই হঠাৎ মাঠে নামে দমকল দফতর। বহুতলের সপ্তম ও অষ্টম তলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বেহাল—এই কারণ দেখিয়ে গোটা তল দুটি খালি করার নোটিস পাঠানো হয় বাড়ির মালিককে, যার ভিত্তিতে মালিকপক্ষও অভিষেকদের অফিস ছাড়ার নির্দেশ দেয়। এই নোটিসকে রাজনৈতিক চক্রান্ত দাবি করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট শিবির। শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত সওয়াল করে জানান, ভবনে যদি অগ্নিনির্বাপণের ঘাটতি থাকে, তবে কেবল দুটি তলকে নিশানা করা হল কেন? তাছাড়া সিলিন্ডার আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং পরিকাঠামোগত ত্রুটি মেরামতির মূল দায়িত্ব বাড়ির মালিকের।

পাল্টা রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিত মিত্র দাবি করেন, সপ্তম তলায় একাধিক সিলিন্ডার মজুত ছিল, ফায়ার অ্যালার্ম বিকল এবং অন্যান্য তলের তুলনায় স্প্রিংকলার ছিল অপ্রতুল। অন্যদিকে বাড়ির মালিকের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার অভিযোগ তোলেন, তাঁদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে না জানিয়ে ভেতরে ক্যাফেটেরিয়া বানানো হয়েছিল। তবে সব পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে আদালত স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ করে জানায়, দমকলের লাইসেন্স একদিনে মেলে না, তার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া উচিত ছিল। এই নোটিসের কোনও তাত্ক্ষণিক প্রয়োগ হতে পারে না। দমকলের নিজস্ব নথিতেও যেখানে দেখা গিয়েছে ভাড়াটিয়া হিসেবে অভিষেকরা নথিপত্র নিয়ে হাজির হলেও মালিকপক্ষ তলব এড়িয়েছেন এবং লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের দায়িত্ব ছিল মালিকেরই—সেখানে তড়িঘড়ি অফিস খালি করার সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করে স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট। আদালতের এই পদক্ষেপে ১৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত রায়ের আগে পর্যন্ত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল তৃণমূল শিবির।

[TECHTARANGA-POST:12550]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles