০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অপরাধ টাকা ফেললেই ‘নো-এন্ট্রি’ গায়েব! ট্রাফিকের নাম ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি, ডানকুনিতে ফাঁস নজিরবিহীন চক্র
অপরাধকলকাতাপশ্চিমবঙ্গহাওড়া

টাকা ফেললেই ‘নো-এন্ট্রি’ গায়েব! ট্রাফিকের নাম ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকার তোলাবাজি, ডানকুনিতে ফাঁস নজিরবিহীন চক্র

Share
Share

 হাওড়া: ট্রাফিক পুলিশের নাম ভাঙিয়ে রাজপথে কোটি কোটি টাকার কাটমানি ও তোলাবাজি চক্রের পর্দাফাঁস করল রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা (এসিবি)। ট্রাকচালকদের কাছ থেকে বেআইনিভাবে টাকা তোলার সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে সঞ্জীব নামে হাওড়ার এক বাসিন্দাকে। তবে তদন্তকারীদের দাবি, সঞ্জীব কেবল হিমশৈলের চূড়ামাত্র; এর নেপথ্যে কাজ করছে এক সুবিশাল ও সুসংগঠিত সিন্ডিকেট, যার মূল উৎস হুগলির ডানকুনি। কলকাতা, হাওড়া, বারুইপুর এবং বিধাননগর ট্রাফিক গার্ডের একাংশের নাম করে ২০১৪ সাল থেকে অর্থাৎ টানা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই বিশাল সিন্ডিকেটটি চালানো হচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে এসিবি-র তদন্তে।

গোয়েন্দাদের প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী, একটি নিখুঁত ‘চেন সিস্টেম’ বা ফ্লো-চার্ট মেনে চলত এই কারবার। ডানকুনিতে এসে দাঁড়ানো দূরপাল্লার ট্রাকগুলির চালকদের কাছে প্রথমে পৌঁছত ‘গাইড’রা। ‘নো-এন্ট্রি’র বিধিনিষেধ সত্ত্বেও নির্বিঘ্নে কলকাতা বা সংলগ্ন এলাকায় ঢুকে পড়ার টোপ দিয়ে তারা চালকদের হাতে তুলে দিত ‘অপারেটর’-এর নম্বর। এর পরই ট্রাকপিছু ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা দাবি করা হত। নগদ, ইউপিআই কিংবা সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা পৌঁছলেই মিলত ‘গ্রিন সিগন্যাল’। একবার টাকা মেটালে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক জোনগুলির মধ্যে দিয়ে নো-এন্ট্রির সময় গাড়ি ছুটলেও পুলিশ কোনো মামলা করত না, ধরত না কোনো জরিমানাও। একাধিক প্রভাবশালী মাথার মদতে অত্যন্ত মসৃণভাবে চলা এই বহুস্তরীয় তোলাবাজি চক্রে আর কারা জড়িত এবং এর জাল কতদূর বিস্তৃত, সঞ্জীবকে জেরা করে সেই গভীর শিকড়ে পৌঁছনোর চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

[TECHTARANGA-POST:12270]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *