০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ উৎসব পুজোর আগে তিলোত্তমার সাজ, রাস্তার রং নিয়েই কাটছে না ধোঁয়াশা!
উৎসবকলকাতাপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

পুজোর আগে তিলোত্তমার সাজ, রাস্তার রং নিয়েই কাটছে না ধোঁয়াশা!

Share
Share

কলকাতাঃ পুজোর আগে কলকাতার রাস্তাগুলি দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যে কাজও শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু এবার সেই উদ্যোগেই বড়সড় ধাক্কা। শহরের অধিকাংশ ওয়ার্ডের রাস্তা মেরামত এবং পিচ করার কাজ কার্যত থমকে রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, পাওনা টাকা না মেটানোয় গত দু’মাস ধরে অধিকাংশ ঠিকাদার কোনও টেন্ডারে অংশ নিচ্ছেন না। 

[TECHTARANGA-POST:12068]

পুরসভা সূত্রে খবর, প্রায় তিন বছরের বেশি সময় ধরে পাওনা টাকা বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের একাংশের। সেই কারণে তাঁরা টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা রাস্তা সংস্কারের প্রয়োজনীয় ফাইল তৈরি করেও পাঠিয়েছেন। কিন্তু ঠিকাদার না থাকায় টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা যাচ্ছে না। আর টেন্ডার না হলে রাস্তার কাজের জন্য পুরভবনের ফিনান্স বিভাগে অনলাইনে অর্থ বরাদ্দের আবেদন করাও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রধান সড়কগুলিতে কাজ এগোলেও ওয়ার্ডের ভিতরের বহু রাস্তা কবে সংস্কার হবে, তা ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একাধিক বরোর সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা পরিস্থিতির কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভও বাড়ছে। এক ইঞ্জিনিয়ারের কথায়, “রাস্তা বেহালের জন্য আমজনতার ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। যা দাঁড়াচ্ছে, তাতে করে আগামীদিনে আমাদের প্রাণ বাঁচাতে ছুটি নিয়ে বাড়ি বসে থাকতে হবে।”

[TECHTARANGA-POST:12067]

অন্যদিকে, পুজোর আগে কলকাতার রাস্তার সৌন্দর্যায়ন নিয়েও নতুন করে তৈরি হয়েছে জটিলতা। প্রতি বছর পুজোর আগে রাস্তার দু’পাশ এবং ডিভাইডারে রং করা হয়। গত কয়েক বছর ধরে সেখানে নীল-সাদা রঙের ব্যবহারই দেখা গিয়েছে। কিন্তু এবার সময়মতো কাজ শুরু করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, এবার কলকাতার রাস্তা ও ডিভাইডারের রঙের ধরন নিয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। রাস্তার সর্বভারতীয় নিয়ম মেনে দু’পাশে হলুদ-কালো বর্ডার করার বিষয়টি মোটামুটি পরিষ্কার। কিন্তু  ডিভাইডারে কী রং হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। নীল-সাদার বদলে গেরুয়ার সঙ্গে কোন রং ব্যবহার করা হবে, তা নিয়েও ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *