০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ প্রধানশিক্ষকের মাথায় ডিম, ঢালা হল গোবর! টাকা তছরুপের অভিযোগে বাঁকুড়ার স্কুলে তাণ্ডব
পশ্চিমবঙ্গবাঁকুড়া

প্রধানশিক্ষকের মাথায় ডিম, ঢালা হল গোবর! টাকা তছরুপের অভিযোগে বাঁকুড়ার স্কুলে তাণ্ডব

Share
Share

বাঁকুড়া: স্কুলে ঢোকার পরেই ঘিরে ধরলেন অভিভাবক ও স্থানীয়দের একাংশ। তারপর স্কুলের গেটের সামনে চেয়ারে বসিয়ে চলল ‘শাস্তি’। মাথায় ভাঙা হল একের পর এক কাঁচা ডিম। এরপর ঢেলে দেওয়া হল গোবর। প্রধানশিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড-ডে মিল এবং স্কুলের উন্নয়ন তহবিলের টাকা তছরুপের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এমনই ঘটনা ঘটল বাঁকুড়ার বাঁকি সেন্দড়া হাই স্কুলে।

[TECHTARANGA-POST:11937]

সোমবার দুপুরে স্কুল চত্বরে এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাঁকি সেন্দড়া হাই স্কুলের প্রধানশিক্ষক সাধনচন্দ্র পালের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিড-ডে মিলের টাকা থেকে শুরু করে স্কুলের উন্নয়ন তহবিল সহ বিভিন্ন খাতের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। এই বিষয়ে আগেও একাধিকবার বিক্ষোভ হয়েছে। কিন্তু কোনও সমাধান মেলেনি। সেই ক্ষোভ থেকেই সোমবার প্রধানশিক্ষক স্কুলে আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে ঘিরে ফেলা হল। এরপর তাঁকে স্কুলের বাইরে বের করে এনে গেটের সামনে একটি চেয়ারে বসানো হয়। বৃষ্টির মধ্যেই চলে বিক্ষোভ। স্লোগান দিতে দিতে কেউ তাঁর দিকে ডিম ছোড়েন, আবার কেউ তাঁর মাথায় গোবর ঢেলে দেন। এক প্রাক্তনীর অভিযোগ, স্কুলের বিভিন্ন খাত থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। 

[TECHTARANGA-POST:11935]

অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন প্রধানশিক্ষক সাধনচন্দ্র পাল। তাঁর দাবি, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আগের একটি অভিযোগের তদন্ত হয়েছিল। সেই তদন্তে কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। প্রধানশিক্ষকের আরও অভিযোগ, দ্বিতীয়বার তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার আগেই তাঁকে এভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক এবং স্থানীয়দের মদতে তাঁর কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্যই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *