০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা সাতসকালে কলকাতার ৬ জায়গায় ইডির হানা, চিটফান্ড মামলার জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের ‘ঘনিষ্ঠ’ ব্যবসায়ী!
কলকাতাকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

সাতসকালে কলকাতার ৬ জায়গায় ইডির হানা, চিটফান্ড মামলার জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের ‘ঘনিষ্ঠ’ ব্যবসায়ী!

Share
সাতসকালে কলকাতার ৬ জায়গায় ইডির হানা, চিটফান্ড মামলার জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের 'ঘনিষ্ঠ' ব্যবসায়ী!
ফাইল ছবি।
Share

কলকাতা: সাতসকালের কলকাতায় ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তৎপরতা। বুধবার সকালে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির একাধিক দল একযোগে শহরের অন্তত ছ’টি ভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান শুরু করল। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, কোটি কোটি টাকার বেআইনি চিটফান্ড প্রতারণা মামলার সূত্রে ধরেই এই মেগা অ্যাকশন। একইসঙ্গে, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে এক দাপুটে নির্মাণ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের পর থেকে তোলপাড় শুরু হয়েছে শহরের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে।

ইডির একটি বিশেষ টিম বুধবার ভোরে প্রথম হানা দেয় নারকেলডাঙা এলাকার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে। প্রাথমিক তদন্তে ইডির দাবি, এই ব্যবসায়ী একটি চিটফান্ড সংস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের থেকে কোটি কোটি টাকা তুলে তা বিভিন্ন বেনামি ব্যবসাতে বিনিয়োগ করতেন। নারকেলডাঙা ছাড়া নেতাজিনগর, রবীন্দ্র সরোবর-সহ মোট ছ’টি এলাকায় একযোগে হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির দলগুলি। সূত্রের খবর, ‘এপিএম’ নামের একটি বেআইনি চিটফান্ড সংস্থার মাধ্যমে সঞ্চিত টাকা আত্মসাৎ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওই সংস্থায় জমা পড়া বিপুল অর্থ অন্য একটি ভুয়ো সংস্থার হাত ঘুরে বিভিন্ন খাতে পাচার করা হত। মূলত এই চক্রে যুক্ত থাকা প্রভাবশালী ‘লিঙ্কম্যান’-দের চিহ্নিত করে তাঁদের বাড়িতেই ইডির আধিকারিকেরা নথি ও প্রমাণের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কলকাতায় জমি দখল করে বেআইনি আবাসন নির্মাণের একটি বড়সড় কেলেঙ্কারিতে দক্ষিণ কলকাতার চেনা মুখ, ব্যবসায়ী অমিত গঙ্গোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতার একাধিক থানায় তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল, প্রতারণা ও জালিয়াতির অন্তত ২০টি এফআইআর ঝুলছিল। পুলিশি নথির ভিত্তিতে ইডি আলাদা মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল অমিতকে। তদন্তে অসহযোগিতা করার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই অমিত এলাকায় একজন প্রভাবশালী শাসকদল ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।

পরপর ইডির এমন জোড়া হানায় স্পষ্ট যে, সারদা বা রোজভ্যালির পর শহরের বুকে ফের নতুন কোনও চিটফান্ড ও বেআইনি নির্মাণ চক্রের বড়সড় জট খুলতে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তল্লাশি অভিযান চলাকালীন একাধিক ল্যাপটপ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নথি ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজের সন্ধান মিলতে পারে বলে অনুমান ইডি কর্তাদের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *