০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ “ওরা আমায় প্রাণে মারতে চায়, মেরে দিক!” সোনারপুরে নিগৃহীত হয়েও অবস্থানে অনড় অভিষেক, দায় ঝাড়ল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গ

“ওরা আমায় প্রাণে মারতে চায়, মেরে দিক!” সোনারপুরে নিগৃহীত হয়েও অবস্থানে অনড় অভিষেক, দায় ঝাড়ল বিজেপি

Share
“ওরা আমায় প্রাণে মারতে চায়, মেরে দিক!” সোনারপুরে নিগৃহীত হয়েও অবস্থানে অনড় অভিষেক, দায় ঝাড়ল বিজেপি
ছবি সংগৃহীত
Share

সোনারপুর: “ওঁরা আমায় প্রাণে মারতে চায়। মেরে দিক, আমার মৃতদেহ উদ্ধার হোক এখান থেকে। কিন্তু, আমি জায়গা ছেড়ে যাব না।” সোনারপুরে নজিরবিহীন হামলার মুখে পড়ার পর এভাবেই নিজের ক্ষোভ ও জেদ উগরে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বিকেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়ি যাওয়ার পথে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। ধাক্কাধাক্কি, টানা-হেঁচড়া থেকে বাঁচতে মাথায় ক্রিকেট হেলমেট পরে কোনও মতে নিহত সহকর্মীর বাড়ি পৌঁছন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। সেখানে সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করার পরই এই হেনস্থার ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।

[TECHTARANGA-POST:9631]

নিহত দলীয় কর্মীর ঘর থেকে অভিষেক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স আসছে এবং এই হামলার সঙ্গে যুক্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ তিনি ওই এলাকা ছাড়বেন না। কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তৃণমূল নেতা বলেন, “আমি সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে এই অবস্থায় ফেলে রেখে কোথাও যাব না। এর জন্য যদি রাত ১২টাও বেজে যায়, তাহলেও আমি এখানেই ঠায় বসে থাকব।” 

অভিষেকের গুরুতর অভিযোগ, যখন বিক্ষোভকারীরা তাঁর ওপর চড়াও হয়ে শারীরিক হেনস্থা চালাচ্ছিল, সেই সময়ে ঘটনাস্থলে জেলা পুলিশের কোনও কর্মী উপস্থিত ছিলেন না। চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়ে তিনি নিজেই দলের কর্মীদের স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করে দ্রুত বাহিনী পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই অবশ্য এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের রুট মার্চ করতে দেখা যায়।

[TECHTARANGA-POST:9628]

অন্যদিকে, তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতার ওপর হামলার ঘটনা চাউর হতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই প্রসঙ্গে পাল্টা দাবি করে বলেন, “বিজেপি এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নয়।” এই ধরনের শারীরিক হেনস্থা বা ব্যক্তিগত আক্রমণের ঘটনা বিজেপি সমর্থন করে না বলেও জানান তিনি। এরপরই তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শমীকের মন্তব্য, “তৃণমূল কংগ্রেস দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিরোধীদের ওপর যা অত্যাচার করেছে, বিজেপি যদি সত্যিই চাইত, তাহলে তৃণমূলের কোনও নেতা ঘর থেকে বেরোতে পারতেন না। বিজেপি চরম সংযম বজায় রেখেছে বলেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ সোনারপুর পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছেন।”

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *