০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ ‘মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশ’! উত্তরবঙ্গে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিক্রির নামে প্রতারণা, হাতেনাতে গ্রেফতার ২
পশ্চিমবঙ্গ

‘মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশ’! উত্তরবঙ্গে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিক্রির নামে প্রতারণা, হাতেনাতে গ্রেফতার ২

Share
‘মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশ’! উত্তরবঙ্গে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিক্রির নামে প্রতারণা, হাতেনাতে গ্রেফতার ২
ছবি--প্রতীকী
Share

শিলিগুড়ি: খোদ ‘মুখ্যমন্ত্রীর দফতর’ (CMO)-এর নাম ভাঙিয়ে এবং সরকারি লোগো ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের কাছে জোর করে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিঙ্গুইশার) বিক্রি করার এক অভিনব ও চাঞ্চল্যকর প্রতারণা চক্রের পর্দাফাঁস হলো উত্তরবঙ্গে। এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল রসিদ, ভুয়ো পরিচয়পত্র এবং বেশ কিছু অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই চক্রের পেছনে কোনও বড়সড় মাথা কাজ করছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

[TECHTARANGA-POST:9374]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুই প্রতারক গত কয়েকদিন ধরে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন বাজার ও বাণিজ্যিক এলাকায় ঘুরে ঘুরে ব্যবসায়ীদের টার্গেট করছিল। নিজেদের মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বিশেষ প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে তারা দাবি করছিল, নবান্নের কড়া নির্দেশিকা মেনে সমস্ত দোকানে এই নির্দিষ্ট অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয়, বাজারচলতি দামের চেয়ে বহুগুণ বেশি মূল্যে তারা ওই সিলিন্ডারগুলি ব্যবসায়ীদের কিনতে বাধ্য করছিল এবং টাকা না দিলে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার বা মোটা টাকা জরিমানা করার হুমকিও দিচ্ছিল। সন্দেহ এড়াতে তারা ব্যবসায়ীদের যে রসিদ দিচ্ছিল, তাতে রাজ্য সরকারের বিশ্ববাংলা লোগো ও ভুয়ো সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছিল!

[TECHTARANGA-POST:9374]

বৃহস্পতিবার স্থানীয় এক ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতার সন্দেহ হওয়ায় তিনি তড়িঘড়ি স্থানীয় থানায় এবং প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকে জানানো হয়, মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে এই ধরনের কোনও নির্দেশ বা কোনো সংস্থাকে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিক্রির ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়া হয়নি। সত্যতা জানামাত্রই পুলিশ ফাঁদ পেতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় এবং ব্যবসায়ীদের ভয় দেখানোর সময় ওই দুই জালিয়াতকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। প্রাথমিক জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে, অল্প পরিশ্রমে বেশি টাকা আয়ের লোভেই তারা এই ভুয়ো পরিচয় তৈরি করেছিল। এই ঘটনায় আর কারা জড়িত এবং এর আগে তারা কোথায় কোথায় এভাবে প্রতারণা চালিয়েছে, তা জানতে ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *