০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা ছুটি ফুরোলেও খুলল না আই-প্যাক! তবে কি বাংলা থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালাল প্রতীক জৈনের সংস্থা?
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

ছুটি ফুরোলেও খুলল না আই-প্যাক! তবে কি বাংলা থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালাল প্রতীক জৈনের সংস্থা?

Share
ছুটি ফুরোলেও খুলল না আই-প্যাক! তবে কি বাংলা থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে পালাল প্রতীক জৈনের সংস্থা?
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: ২০ দিনের ‘ছুটি’ শেষ হয়েছে সোমবার। ক্যালেন্ডারের হিসাব মিলিয়ে এদিনই খোলার কথা ছিল তৃণমূলের একদা ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের সল্টলেক সেক্টর ফাইভের দফতর। কিন্তু, সোমবার বিকেলে সেখানে গিয়ে দেখা গেল এক ভিন্ন ছবি। প্রকাণ্ড ফ্লোরটি ডুবে রয়েছে অন্ধকারে! আর, কাচের দরজার স্টিলের হাতলে শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে প্রকাণ্ড তালা। ছুটি শেষ হলেও অফিসের ঝাঁপ না খোলায় চরম উদ্বেগের মুখে পড়েছেন সংস্থার কয়েকশো কর্মী।

[TECHTARANGA-POST:8999]

গত ১৯ এপ্রিল মাঝরাতে কর্মীদের ইমেল পাঠিয়ে আই-প্যাক জানিয়েছিল, আইনি কারণে ১০ মে পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে সংস্থার সমস্ত কাজ বন্ধ রাখা হচ্ছে। ১১ মে অর্থাৎ সোমবার সকলকে জড়ো হয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ আলোচনার কথা ছিল। কিন্তু, সোমবার বিকেল গড়িয়ে গেলেও কর্মীদের কাছে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ইমেল বা বার্তা পৌঁছয়নি। ফলে বকেয়া পাওনা এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে কর্মীদের মনে।

[TECHTARANGA-POST:8991]

অফিসের নিরাপত্তাকর্মী ও সাফাই কর্মীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শনিবার সংস্থার পদস্থ কর্তা অর্জুন দত্ত অফিসে এসে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছেন। এমনকী, অনেক কর্মীও নিজেদের ডেস্ক থেকে দরকারি কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত সামগ্রী নিয়ে যেতে শুরু করেছেন। মঙ্গলবার অফিস খুললেও খুলতে পারে — এমন একটি হালকা আশার কথা শোনা গেলেও, সংস্থার শীর্ষ মহলের নীরবতা অন্য কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

[TECHTARANGA-POST:8987]

ভোটের মুখে যখন আই-প্যাকের কাজ বন্ধের খবর ছড়িয়েছিল, তখন তৃণমূলের তরফে একে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করা হয়েছিল। এমনকী, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও আশ্বাস দিয়েছিলেন যে কারও চাকরি যাবে না। কিন্তু, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর এখন দলের একাংশই মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তৃণমূলের অনেক মুখপাত্রের দাবি, আই-প্যাক আগেই ‘দোকান’ বন্ধ করে দিয়েছিল। দলের নির্দেশে তাদের তখন মিথ্যা বলতে হয়েছিল।

[TECHTARANGA-POST:8978]

পরবর্তীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস থেকে আই-প্যাকের কিছু পুরনো কর্মী ভোট সামলালেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে এই সংস্থার অস্তিত্ব রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তালাবন্ধ দফতরের সামনে দাঁড়িয়ে এখন শুধু বকেয়া বেতন আর রিলিজ লেটারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন কর্মীরা। প্রশান্ত কিশোরের হাত ধরে বাংলায় যে আধিপত্য শুরু হয়েছিল আই-প্যাকের, প্রতীক জৈনের আমলে তা কি এভাবেই নিঃশব্দে শেষ হয়ে গেল?

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *