০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ কলকাতা ১৩ বছরের ‘বনবাস’ শেষ! বারুইপুরে হারানো ‘কেল্লা’ উদ্ধার করল বামেরা, পালাবদলের ঝড়েই ফিরল লাল নিশান!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

১৩ বছরের ‘বনবাস’ শেষ! বারুইপুরে হারানো ‘কেল্লা’ উদ্ধার করল বামেরা, পালাবদলের ঝড়েই ফিরল লাল নিশান!

Share
১৩ বছরের ‘বনবাস’ শেষ! বারুইপুরে হারানো ‘কেল্লা’ উদ্ধার করল বামেরা, পালাবদলের ঝড়েই ফিরল লাল নিশান!
ছবি: সংগৃহীত
Share

বারুইপুর: বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের ঢেউ আছড়ে পড়তেই বদলে গেল বারুইপুরের ইদানীংকালের চেনা ছবি। দীর্ঘ ১৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিজেদের হারানো পার্টি অফিস ফিরে পেল সিপিএম। বুধবার বারুইপুর পশ্চিমের কাছারি বাজার সংলগ্ন এলাকায় এক দশকেরও বেশি সময় পর আবার সগৌরবে উড়ল লাল নিশান!

[TECHTARANGA-POST:8825]

বাম শিবিরের অভিযোগ, ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ২০১৩ সালে জোর করে এই কার্যালয়টি দখল করে নিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর থেকে টানা ১৩ বছর এটি শাসকদলের দখলেই ছিল। তবে, ২০২৬-এর নির্বাচনে রাজ্যে গেরুয়া ঝড় উঠতেই পরিস্থিতি আমূল বদলে যায়। মঙ্গলবার রাতেই দীর্ঘদিনের ‘দখল’ হওয়া এই কার্যালয়টি পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় বামেরা।

[TECHTARANGA-POST:8813]

বারুইপুর পশ্চিমের সিপিএম প্রার্থী লায়েক আলি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা কোনও প্রতিহিংসা বা দখলের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। তিনি বলেন, “এটি আমাদের অত্যন্ত পুরোনো অফিস। তৃণমূল জোর করে দখল করেছিল, আমরা শুধু তা পুনরুদ্ধার করেছি।” সৌজন্যের নজির গড়ে তিনি আরও জানান, অফিসের ভিতর থাকা তৃণমূলের পতাকা, ব্যানার ও নথিপত্র তাঁরা সযত্নে গুছিয়ে রেখেছেন। এমনকী, তৃণমূল কর্মীদের ফোন করে সেগুলি নিয়ে যেতে বলা হলেও কেউ আসেনি। এরপরই সেখানে নতুন করে লাল ঝান্ডা ও ব্যানার লাগানো হয়।

[TECHTARANGA-POST:8726]

বারুইপুরে সিপিএমের ঘর ওয়াপসি হলেও দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্যান্য প্রান্তে ছবিটা কিছুটা ভিন্ন। সোনারপুর, কুলতলি ও বারুইপুরের বেশ কিছু জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল করে বিজেপির পতাকা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও ভাঙচুরের ঘটনাও সামনে এসেছে। যদিও বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং পুলিশ প্রশাসন বারবারই আশ্বস্ত করেছে, এমন কোনও বিশৃঙ্খলা বা হিংসাত্মক ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *