০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ আইন-কানুন ভোটের কবলে মহানগরীর গণপরিবহন! উধাও হবে বাস-পুলকার, পঠনপাঠন বাঁচাতে এবার অনলাইনে একাধিক স্কুল
আইন-কানুনকলকাতাকূটনীতিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষভ্রমণশিক্ষাঙ্গন

ভোটের কবলে মহানগরীর গণপরিবহন! উধাও হবে বাস-পুলকার, পঠনপাঠন বাঁচাতে এবার অনলাইনে একাধিক স্কুল

Share
Share

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে দক্ষিণবঙ্গের ভোট। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে কার্যত অচল হওয়ার পথে তিলোত্তমা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলি। কারণ একটাই— কড়া নিরাপত্তায় ভোট করাতে এবার রেকর্ড সংখ্যক বাস, পুলকার এবং ট্যাক্সি রাস্তা থেকে তুলে নিতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। আর এই গণপরিবহন সংকটের জেরে নাজেহাল হওয়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সবথেকে বেশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকরা। যাতায়াতের সমস্যা এড়াতে পড়ুয়াদের কথা ভেবেই এখন শহরের একাধিক নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকল্প হিসেবে ফের অনলাইন ক্লাসের পথে হাঁটার কথা ভাবছে।

[TECHTARANGA-POST:7991]

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোট কর্মীদের যাতায়াত এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর মুভমেন্টের জন্য আগামী ২৭ এপ্রিল থেকেই সিংহভাগ বেসরকারি বাস, স্কুল বাস এবং পুলকার নিজেদের জিম্মায় নেওয়া হচ্ছে। বাস মালিকদের সংগঠনগুলির দাবি, এবার অন্যবারের তুলনায় অনেক বেশি গাড়ি রিকুইজিশন করা হচ্ছে, যার ফলে ২৬ তারিখ থেকেই রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের জন্য বাস বা ক্যাব মেলা দুষ্কর হয়ে পড়বে। ‘অনলাইন ক্যাব অপারেটর্স গিল্ড’-এর পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে প্রচুর ক্যাব ভোটের কাজে চলে যাওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে উঠবে। রাস্তায় যানবাহনের এই আকাল দেখে অনেকেই একে ‘অঘোষিত বনধ’-এর সঙ্গে তুলনা করছেন।

[TECHTARANGA-POST:7986]

পরিবহন সংকটের আঁচ সরাসরি এসে পড়েছে স্কুলগুলিতে। পুলকার ও বাস না থাকলে পড়ুয়ারা স্কুলে পৌঁছাবে কী করে, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিউটাউনের দিল্লি পাবলিক স্কুলের প্রিন্সিপাল অম্বিকা মেহরা জানিয়েছেন, ২৭ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত তাঁদের স্কুলে অনলাইনে ক্লাস হবে এবং ২৯ তারিখ ভোটের দিন ছুটি থাকবে। অন্যদিকে, সাউথ পয়েন্ট স্কুলের আটটি বাস ২৫ তারিখ থেকেই তুলে নিচ্ছে কমিশন। 

[TECHTARANGA-POST:7975]

শ্রী শ্রী অ্যাকাডেমির প্রিন্সিপাল গার্গী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, স্কুলে পোলিং বুথ হওয়ার কারণে ২৮ তারিখ দুপুর থেকেই চত্বর চলে যাবে কমিশনের অধীনে। পুলকার সংগঠনের তরফে সুদীপ দত্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে বিপুল সংখ্যক গাড়ি ভোটের ডিউটিতে যাওয়ায় ওই ক’দিন পড়ুয়াদের আনা-নেওয়ার দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে ভোটের কড়া নিরাপত্তায় যখন মুড়ে ফেলা হচ্ছে বাংলা, তখন সাধারণের যাতায়াত এবং পড়ুয়াদের পড়াশোনা বজায় রাখাই এখন প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *