০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ শনিবারের বঙ্গ সফরে মোদীর উপহার ১৮ হাজার কোটির নানা প্রকল্প!
পশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষ

শনিবারের বঙ্গ সফরে মোদীর উপহার ১৮ হাজার কোটির নানা প্রকল্প!

Share
শনিবারের বঙ্গ সফরে মোদীর উপহার ১৮ হাজার কোটির নানা প্রকল্প!
Share

কলকাতা: আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের দামামা বাজার আগেই রাজ্যবাসীর জন্য উপহারের ডালি নিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ধর্মতলায় আয়োজিত হতে চলা মেগা জনসভা থেকে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ১৮,৬৮০ কোটি টাকার একাধিক প্রকল্প উপহার দেবেন তিনি। রেল, সড়কপথ এবং বন্দর – এই তিন ক্ষেত্রেই একগুচ্ছ নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস হতে চলেছে তাঁর হাত দিয়ে।

শনিবারের সভা থেকে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তনের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন করা হবে বহু-প্রতীক্ষিত পুরুলিয়া-আনন্দ বিহার ট্রেনের। এই ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লির মধ্যে সংযোগ আরও সুদৃঢ় করবে।

[TECHTARANGA-POST:7245]

একইসঙ্গে, ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের অধীনে ভোলবদল হওয়া রাজ্যের ছ’টি স্টেশনের উদ্বোধন করবেন মোদী। এই স্টেশনগুলি হল — বারাসত, হলদিয়া, তমলুক, সিউড়ি, আনারা এবং কামাখ্যাগুড়ি। আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এই স্টেশনগুলি যাত্রী পরিষেবায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাকে গতিশীল করতে ১৬,৯৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪২০ কিলোমিটার দীর্ঘ জাতীয় সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য – খড়্গপুর-মোরগ্রাম অর্থনৈতিক করিডর। ২৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই চার লেনের করিডরটি পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলার উপর দিয়ে যাবে। এর ফলে খড়্গপুর ও মোরগ্রামের দূরত্ব কমবে প্রায় ১২০ কিমি এবং যাত্রার সময় বাঁচবে প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। অন্যদিকে, বীরভূমের যানজট কমাতে ১১৪-এ জাতীয় সড়কে ৫.৬ কিমি দীর্ঘ বাইপাস তৈরি হবে। যা শহরের ভিড় এড়িয়ে ১ ঘণ্টা সময় বাঁচাবে।

এদিকে, হলদিয়া বন্দরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে ২ নম্বর বার্থের যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে দ্রুত এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে কয়লা ও কার্গো হ্যান্ডলিং সম্ভব হবে। বিপজ্জনক কাজে মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণ কমায় নিরাপত্তা বাড়বে। নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

তাই, শনিবার ধর্মতলার এই সভা শুধুমাত্র রাজনৈতিক নিরিখেই নয়, রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের নিরিখেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *