০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ টেক রিল বা ভিডিও বানিয়েই এবার নিশ্চিত আয়! সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলোকে আয়ের ভাগ দেওয়ার কড়া নির্দেশ কেন্দ্রের
টেকভারতবর্ষ

রিল বা ভিডিও বানিয়েই এবার নিশ্চিত আয়! সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলোকে আয়ের ভাগ দেওয়ার কড়া নির্দেশ কেন্দ্রের

Share
Share

বর্তমান প্রজন্মের কাছে সোশ্যাল মিডিয়া শুধু বিনোদন নয়, আয়ের অন্যতম বড় উৎস। দেশের বেকারত্বের হার এবং সরকারি চাকরির অনিশ্চয়তার মাঝে এবার কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কর্মসংস্থানকেই পাখির চোখ করছে মোদি সরকার। এবার ফেসবুক, ইউটিউব বা ইনস্টাগ্রামের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলোকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হলো— ভারতীয় ক্রিয়েটরদের থেকে অর্জিত মুনাফার একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে তাদের সাথে শেয়ার করতে হবে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, বিনোদন থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা ভ্রমণ— নানা বিষয়ে ভারতীয় নাগরিকরা যে বিপুল পরিমাণ কনটেন্ট তৈরি করছেন, তা থেকে প্ল্যাটফর্মগুলো বিশাল রাজস্ব আয় করছে। মন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে এই আয়ের একটি অংশ কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের দিতেই হবে।”

শুধুমাত্র মৌখিক নির্দেশ নয়, সরকার কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি আইনের রুলস বা বিধি বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যক্তিগত এবং প্রাতিষ্ঠানিক— উভয় ধরনের ক্রিয়েটরদের জন্যই এই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, আইনি বাধ্যবাধকতার মাধ্যমেই এবার ক্রিয়েটরদের মুনাফা নিশ্চিত করতে চাইছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় বাজেটে ১৫ হাজার স্কুল এবং ৫০০ কলেজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাবরেটরি তৈরির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপ স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, রিল বা ভিডিও বানানোকে এখন একটি সংগঠিত শিল্প হিসেবে দেখছে মোদি সরকার। বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৩০ লক্ষ সক্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রয়েছেন, যার বড় অংশই তরুণ প্রজন্ম (১৮ থেকে ২৫ বছর)। সরকার চাইছে, কনটেন্ট ক্রিয়েশন যাতে কেবল শখ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পেশা বা সোশ্যাল মিডিয়া শিল্পে পরিণত হয়।

বর্তমানে ৪৮ শতাংশ ক্রিয়েটরের বয়স কম হলেও মাত্র ১৩ শতাংশ মানুষ একে মূল পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আয়ের ভাগ পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকলে এই সংখ্যাটি দ্রুত বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ইউটিউব বা মেটা-র মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ভারত সরকারের এই নয়া বিধিকে কতটা সহজে গ্রহণ করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *