০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ কূটনীতি ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ৫০০ টাকা পেতে হলে মিছিলে আসতে হবে’, আর কী হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা?
কূটনীতিপশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষভারতবর্ষ

‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ৫০০ টাকা পেতে হলে মিছিলে আসতে হবে’, আর কী হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা?

Share
Share

হাওড়া :২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই ফের উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। এবার হাওড়ার ঘুসুড়ি এলাকায় সরাসরি সাধারণ মানুষের বাড়ি বয়ে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর টাকা পেতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলে যোগ দিতে হবে এবং দলের পাশে দাঁড়াতে হবে— এই মর্মেই সাধারণ মহিলাদের ভয় দেখাচ্ছেন ওই নেতা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে (যার সত্যতা যাচাই করা হয়নি), যেখানে দেখা যাচ্ছে হাওড়া কর্পোরেশনের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা বর্তমান বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের সদস্য এক নেতা সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন। সেখানে মহিলাদের উদ্দেশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সরকারের দেওয়া ৫০০ টাকা ভাতা পেতে হলে প্রতিটি দলীয় মিটিং-মিছিলে উপস্থিত থাকতে হবে।

এই ঘটনার খবর চাউর হতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি নেতা উমেশ রায়। তিনি এই ঘটনাকে সরাসরি ‘দাদাগিরি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের রাজনীতি নয়, ভাতার রাজনীতি করছেন। সামান্য কিছু টাকা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দিয়ে তাঁদের হুমকি দিয়ে মিটিং-মিছিলে আসতে বাধ্য করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়।”

হাওড়া :২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই ফের উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। এবার হাওড়ার ঘুসুড়ি এলাকায় সরাসরি সাধারণ মানুষের বাড়ি বয়ে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর টাকা পেতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলে যোগ দিতে হবে এবং দলের পাশে দাঁড়াতে হবে— এই মর্মেই সাধারণ মহিলাদের ভয় দেখাচ্ছেন ওই নেতা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে (যার সত্যতা যাচাই করা হয়নি), যেখানে দেখা যাচ্ছে হাওড়া কর্পোরেশনের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা বর্তমান বোর্ড অফ ডিরেক্টরসের সদস্য এক নেতা সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন। সেখানে মহিলাদের উদ্দেশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সরকারের দেওয়া ৫০০ টাকা ভাতা পেতে হলে প্রতিটি দলীয় মিটিং-মিছিলে উপস্থিত থাকতে হবে।

এই ঘটনার খবর চাউর হতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপি নেতা উমেশ রায়। তিনি এই ঘটনাকে সরাসরি ‘দাদাগিরি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের রাজনীতি নয়, ভাতার রাজনীতি করছেন। সামান্য কিছু টাকা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দিয়ে তাঁদের হুমকি দিয়ে মিটিং-মিছিলে আসতে বাধ্য করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়।”

ঘটনাটি নিয়ে সরব হয়েছে বামেরাও। সিপিএম নেতা শঙ্কর মৈত্র তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, “তৃণমূল মানেই দাদাগিরি। তৃণমূল থাকবে আর এলাকায় এলাকায় তোলাবাজি বা ভয় দেখানো থাকবে না, এটা হতেই পারে না। পুরো দলটাই দাদাগিরির ওপর ভিত্তি করে চলছে।”

যদিও সরাসরি প্রশ্নের মুখে পড়ে ওই তৃণমূল নেতা নিজের স্বপক্ষে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি কাউকে হুমকি দেননি। তিনি কেবল বোঝাতে চেয়েছেন যে, সরকারের কাছ থেকে যখন অতিরিক্ত ৫০০ টাকা ভাতা পাওয়া যাচ্ছে, তখন কৃতজ্ঞতা স্বরূপ সাধারণ মানুষের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ানো।

নির্বাচনের ঠিক আগে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়াকে শর্ত হিসেবে ব্যবহার করার এই প্রবণতা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সাধারণ মানুষের মনে এই ঘটনা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখন দেখার বিষয়।

[TECHTARANGA-POST:6459]

ঘটনাটি নিয়ে সরব হয়েছে বামেরাও। সিপিএম নেতা শঙ্কর মৈত্র তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, “তৃণমূল মানেই দাদাগিরি। তৃণমূল থাকবে আর এলাকায় এলাকায় তোলাবাজি বা ভয় দেখানো থাকবে না, এটা হতেই পারে না। পুরো দলটাই দাদাগিরির ওপর ভিত্তি করে চলছে।”

যদিও সরাসরি প্রশ্নের মুখে পড়ে ওই তৃণমূল নেতা নিজের স্বপক্ষে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি কাউকে হুমকি দেননি। তিনি কেবল বোঝাতে চেয়েছেন যে, সরকারের কাছ থেকে যখন অতিরিক্ত ৫০০ টাকা ভাতা পাওয়া যাচ্ছে, তখন কৃতজ্ঞতা স্বরূপ সাধারণ মানুষের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ানো।

নির্বাচনের ঠিক আগে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়াকে শর্ত হিসেবে ব্যবহার করার এই প্রবণতা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সাধারণ মানুষের মনে এই ঘটনা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখন দেখার বিষয়।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *