০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ ভবিষ্যৎ ভারতের কারিগর: ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র মাধ্যমে মোদী সরকারের এক অনন্য উদ্যোগ
ভারতবর্ষভারতবর্ষ

ভবিষ্যৎ ভারতের কারিগর: ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র মাধ্যমে মোদী সরকারের এক অনন্য উদ্যোগ

Share
Share

নয়াদিল্লি: বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে একটি দেশের প্রকৃত শক্তি তার যুবসমাজ। আর এই যুবশক্তিকে সঠিক দিশা দেখাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ (PPC) কেবল একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। ২০২৬ সালের ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ অনুষ্ঠানে আজ (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) পড়ুয়াদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি কথোপকথন আরও একবার প্রমাণ করল যে, মোদী সরকার দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক উন্নয়নে কতটা আন্তরিক এবং দূরদর্শী।

[TECHTARANGA-POST:6273]

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বরাবরই নিজেকে দেশের ‘প্রধান সেবক’ হিসাবে পরিচয় দেন। তবে, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’র মঞ্চে তাঁকে দেখা যায় একজন স্নেহশীল অভিভাবক হিসাবে। গত কয়েক বছরের মতো এবারও তিনি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাভীতি দূর করতে এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর এই উদ্যোগ বুঝিয়ে দেয়, সরকার কেবল পরিকাঠামো বা অর্থনীতির উন্নয়ন নয়, বরং প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর মানসিক শক্তির বিকাশেও সমানভাবে সচেষ্ট।

২০২৬ সালের এই আয়োজনে প্রযুক্তির ব্যবহার ছিল চোখে পড়ার মতো। ইউটিউব টেলিকাস্টের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি কোণে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা। এর পাশাপাশি, যারা এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে, তাদের জন্য ডিজিটাল সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোদী সরকারের এই ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ মিশন শিক্ষাব্যবস্থার সাথে একত্র হয়ে ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সঠিকভাবেই প্রস্তুত করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের ইতিহাসে এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী সরাসরি পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেননি। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। ‘জাতীয় শিক্ষানীতি’ (NEP) এবং ‘পরীক্ষা পে চর্চা’—এই দুটি পদক্ষেপই একই সুতোয় গাঁথা। এর মূল লক্ষ্য হল— মুখস্থ বিদ্যার বদলে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা।

বিরোধীরা নানা সময় নানা কথা বললেও, ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এই জনপ্রিয়তাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। মোদী সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে, দেশের ভবিষ্যৎ মানে কেবল আজকের শিশুরাই নয়, বরং তা হল  তাদের সুস্থ মন এবং নির্ভীক চিন্তাধারা। এই চর্চার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কেবল পড়ুয়াদেরই নয়, বরং অভিভাবকদেরও বার্তা দিয়েছেন যাতে তাঁরা সন্তানদের উপর অযথা প্রত্যাশার চাপ সৃষ্টি না করেন।

[TECHTARANGA-POST:6289]

সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের ‘পরীক্ষা পে চর্চা’ অনুষ্ঠানটি আবারও দেশের উন্নয়নের এক নতুন দিক উন্মোচন করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকার যে ভারতের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করে, এটি তারই এক বাস্তব প্রতিফলন। মোদী সরকারের এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ভারতকে অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চে ‘বিশ্বগুরু’ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে বিশেষ সহায়ক হবে, সেই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *