০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home পশ্চিমবঙ্গ অর্থনীতি ‘হাট বন্ধ হলে পথে বসবে হাজার হাজার পরিবার’, সোনাঝুরি বাঁচাতে এনজিটিতে আবেদন হস্তশিল্পীদের
অর্থনীতিপশ্চিমবঙ্গপশ্চিমবঙ্গবীরভূমভ্রমণ

‘হাট বন্ধ হলে পথে বসবে হাজার হাজার পরিবার’, সোনাঝুরি বাঁচাতে এনজিটিতে আবেদন হস্তশিল্পীদের

Share
‘হাট বন্ধ হলে পথে বসবে হাজার হাজার পরিবার’, সোনাঝুরি বাঁচাতে এনজিটিতে আবেদন হস্তশিল্পীদের
ছবি সংগৃহীত
Share

বোলপুরের সোনাঝুরি হস্তশিল্পীদের হাটকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। একদিকে পরিবেশ রক্ষার দাবি, অন্যদিকে কয়েক হাজার শিল্পী, কারিগর এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবিকার প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে হাট বাঁচানোর আর্জি নিয়ে জাতীয় পরিবেশ আদালতের (এনজিটি) দ্বারস্থ হয়েছেন সোনাঝুরির একাধিক হস্তশিল্পী ও ব্যবসায়ী।

[TECHTARANGA-POST:10854]

আবেদনকারীদের দাবি, সোনাঝুরির হাট কোনওভাবেই অবৈধ নয়। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রকের পরিচয়পত্র, রাজ্যের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প দপ্তর এবং হস্তশিল্প দপ্তরের শংসাপত্র নিয়েই তাঁরা ব্যবসা করে আসছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই হাট শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, হাজার হাজার পরিবারের জীবিকার অন্যতম প্রধান ভরসা। আবেদনকারী রাসিদুল মোল্লা, মহম্মদ আবদুল ফজল ও সমাপ্তি দেবনাথ-সহ একাধিক হস্তশিল্পীর বক্তব্য, হাট বন্ধ হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন স্থানীয় শিল্পী ও কারিগররা।

[TECHTARANGA-POST:10839]

নিউটাউনে আদানির মেগা হাসপাতাল! গরিবদের জন্য কী থাকছে বিশেষ সুবিধা?

 বহু পরিবার সম্পূর্ণভাবে এই হাটের আয়ের উপর নির্ভরশীল। তাই জীবিকার বিষয়টি মাথায় রেখেই আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্তের অভিযোগ, বনদপ্তরের জমিতে বন সুরক্ষা আইন উপেক্ষা করেই দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক কার্যকলাপ চলছে। তাঁর দাবি, জঙ্গলের মধ্যে অসংখ্য দোকান, অবাধে চারচাকা গাড়ির প্রবেশ, প্লাস্টিকের ব্যবহার, অপরিশোধিত বর্জ্য ফেলা এবং বিভিন্ন জায়গায় কংক্রিট নির্মাণের ফলে সোনাঝুরির পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তিনি এনজিটির দ্বারস্থ হন।

[TECHTARANGA-POST:10788]

বর্তমানে সোনাঝুরি হাটের বৈধতা এবং এর পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে জাতীয় পরিবেশ আদালতে শুনানি শুরু হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন শিল্পী, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। উল্লেখ্য, ২০০০ সালের দিকে স্থানীয় কয়েকজন আদিবাসী শিল্পীর উদ্যোগে খোয়াইয়ের সোনাঝুরিতে সপ্তাহে একদিন, শুধুমাত্র শনিবার, ছোট পরিসরে এই হাটের সূচনা হয়েছিল। আশ্রমকন্যা শ্যামলী খাস্তগীরের উদ্যোগে শুরু হওয়া সেই ছোট্ট হাট ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ২০১৬-১৭ সালের পর থেকে সোনাঝুরি হাটের ব্যাপক বিস্তার ঘটে এবং পর্যটকদের ভিড়ের পাশাপাশি বহিরাগত ব্যবসায়ীদের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে থাকে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *