০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা অর্থনীতি এক বছরে ক্যান্টিন বিল ১ কোটি! প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে ঘিরে নতুন বিতর্ক, তদন্তের দাবি প্রাক্তন সভাপতির
অর্থনীতিকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

এক বছরে ক্যান্টিন বিল ১ কোটি! প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে ঘিরে নতুন বিতর্ক, তদন্তের দাবি প্রাক্তন সভাপতির

Share
এক বছরে ক্যান্টিন বিল ১ কোটি! প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে ঘিরে নতুন বিতর্ক, তদন্তের দাবি প্রাক্তন সভাপতির
ছবি সংগৃহীত
Share

এক বছরে ক্যান্টিনের বিল প্রায় ১ কোটি টাকা! উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সচিব প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের আমলে এই বিপুল খরচকে ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। কীভাবে এত বড় অঙ্কের বিল তৈরি হল, তা নিয়ে তদন্তের দাবি তুলেছেন উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।

[TECHTARANGA-POST:10574]

জানা গিয়েছে, শিক্ষা সংসদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বৈঠকে একটি নির্দিষ্ট ক্যান্টিন সংস্থাই খাবার সরবরাহ করত। তবে সেই পরিষেবার জন্য এক বছরে প্রায় ১ কোটি টাকার বিল কীভাবে হল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রাক্তন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের দাবি, বিষয়টি নিয়ে তিনিও সন্দিহান ছিলেন। তিনি জানান, সেই সময় আর্থিক আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন করে টেন্ডার ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রাথমিক অসংগতির অভিযোগও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, তদন্ত হলে তিনি সমস্ত তথ্য তুলে ধরতে প্রস্তুত।

[TECHTARANGA-POST:10559]

অন্যদিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রিয়দর্শিনী মল্লিক। তাঁর দাবি, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দেখেছেন একটি সংস্থাকেই নিয়মিত কাজ দেওয়া হতো। এমনকি সেই সংস্থার সঙ্গে কোনও লিখিত চুক্তিপত্রও ছিল না বলে দাবি তাঁর। প্রিয়দর্শিনীর বক্তব্য, কোন সংস্থাকে কাজ দেওয়া হবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেন শিক্ষা সংসদের সভাপতি। ফলে কোটি টাকার বিল কীভাবে তৈরি হয়েছে, তার জবাবও সভাপতিকেই দিতে হবে।

 ‘বাড়ি দখল করে গায়ের জোর দেখানো হচ্ছে’—তৃণমূলের অন্দরের সংঘাতে দিলীপ

উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাঁর মেয়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিকের নামও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় আসে। সে সময় তিনি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব পদে ছিলেন। পরে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবে তাঁকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি আশুতোষ কলেজে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *