০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা গায়ে লাগল ডিম-কাদা, চরম অপমানে ক্যামেরার সামনেই বিজেপিকে ‘কুকথা’ মহুয়ার!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

গায়ে লাগল ডিম-কাদা, চরম অপমানে ক্যামেরার সামনেই বিজেপিকে ‘কুকথা’ মহুয়ার!

Share
গায়ে লাগল ডিম-কাদা, চরম অপমানে ক্যামেরার সামনেই বিজেপিকে ‘কুকথা’ মহুয়ার!
ছবি সংগৃহীত
Share

কৃষ্ণনগর: ফের ক্যামেরার সামনে চরম মেজাজ হারালেন তৃণমূলের মমতাপন্থী সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক উড়ে এল ডিম, কাদা, বেগুন, পাথর! এমনকী ডিম লেগে ভিজে গেল তাঁর শাড়িও। এই নজিরবিহীন হেনস্থার মুখে পড়েই মেজাজ হারিয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই বিজেপিকে একের পর এক গালিগালাজ করতে শুরু করলেন তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেত্রী। 

[TECHTARANGA-POST:10518]

গতকাল নদিয়ার কালীগঞ্জের এই হাড়হিম করা ঘটনার ভিডিও বর্তমানে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

‘৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির তদন্ত হোক’, দাবি হুমায়ুন কবিরের

বুধবার নদিয়ার কালীগঞ্জে তৃণমূল বিধায়ক আলিফা আহমেদের বাড়ির পার্টি অফিসে একটি দলীয় কর্মিসভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কর্মিসভা চলাকালীনই আচমকা পার্টি অফিসের বাইরে জাতীয় সড়কের ওপর কালো পতাকা হাতে জড়ো হন একদল বিক্ষোভকারী। মহুয়া মৈত্রকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। 

[TECHTARANGA-POST:10516]

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন বিল্ডিংয়ের জানালায় মহুয়াকে দেখতে পেয়ে বিক্ষোভকারীরা সড়ক থেকেই একের পর এক ডিম ছুড়তে শুরু করেন। ডিমের পাশাপাশি কাদা, বেগুন এবং ঢিল ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ। এই হামলার জেরে বিধায়কের বাড়িতেই প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ হয়ে আটকে পড়েন মহুয়া ও তৃণমূল কর্মীরা। সাংসদ নিজেই সমাজমাধ্যমে কয়েকটি ভিডিও শেয়ার করে অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীরা সকলেই বিজেপির লোক এবং এই ঘটনায় পুলিশ সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ছিল।

[TECHTARANGA-POST:10502]

দীর্ঘক্ষণ অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশি পাহারায় যখন বিধায়কের বাড়ি থেকে বের হন মহুয়া মৈত্র, তখন স্বভাবতই তাঁকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘দিদি, আপনাকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ছে কেন?’ ব্যস, এই প্রশ্ন শোনা মাত্রই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাংসদ। ডিম-কাদায় অপদস্থ হওয়ার তীব্র রাগ উগরে দিয়ে ক্যামেরার সামনেই বিজেপিকে একের পর এক নজিরবিহীন কুকথা ও গালিগালাজ করতে থাকেন তিনি। মহুয়ার সেই রূঢ় প্রতিক্রিয়া ও শব্দপ্রয়োগ হুবহু ধরা পড়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়, যা এখন নেটপাড়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল। একদিকে সাংসদের ওপর এই হামলা এবং অন্যদিকে ক্যামেরার সামনে তাঁর এই ভাষার প্রয়োগ— দুই নিয়ে এখন চরম রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *