০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ পশ্চিমবঙ্গ পকেটস্থ হবে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা! রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে সরকারের এই নিয়মটি কি আপনার জানা আছে?
পশ্চিমবঙ্গভারতবর্ষভারতবর্ষ

পকেটস্থ হবে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা! রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে সরকারের এই নিয়মটি কি আপনার জানা আছে?

Share
পকেটস্থ হবে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা! রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার নিয়ে সরকারের এই নিয়মটি কি আপনার জানা আছে?
এলপিজি গ্রাহকদের জন্য বড় খবর। ছবি-সংগৃহীত
Share

নয়া দিল্লি: বর্তমান দিনে রান্নার গ্যাসের আকাশছোঁয়া দামের বাজারে যদি হুট করে বেশ কিছু টাকা পকেটে আসে, তবে কার না ভালো লাগে! এলপিজি গ্রাহকদের জন্য এমনই এক বিরাট সুখবর নিয়ে এলো কেন্দ্রীয় সরকার। এবার এলপিজি সিলিন্ডার সারেন্ডার করলে অর্থাৎ গ্যাসের কানেকশন চিরতরে ছেড়ে দিলে গ্রাহকরা পেয়ে যেতে পারেন মোটা অঙ্কের রিফান্ড বা ফেরত টাকা। অনেকেই জানেন না যে, নতুন কানেকশন নেওয়ার সময় সিলিন্ডার ও রেগুলেটর বাবদ যে টাকা নেওয়া হয়, তা আসলে কোনো ফি নয়, বরং গ্যাস কোম্পানির কাছে জমা থাকা একটি ‘সিকিউরিটি ডিপোজিট’। ফলে কোনো কারণে কানেকশন ছেড়ে দিলে বা সরঞ্জাম ফেরত দিলে ওই গচ্ছিত টাকা নিয়ম মেনে গ্রাহককে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য থাকে অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি।

সাধারণত চাকরি বা ব্যবসার সূত্রে এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়ার সময় অনেকেই পুরনো গ্যাস কানেকশন ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে সারেন্ডার করতে ভুলে যান। ফলে কোটি কোটি টাকা তেল বিপণন সংস্থাগুলির কাছেই পড়ে থাকে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, কেউ যদি ৫ কেজির ছোট সিলিন্ডার ফেরত দেন, তবে সিলিন্ডার পিছু ৫০০ টাকা করে রিফান্ড পাবেন। অন্যদিকে, বাড়িতে ব্যবহৃত সাধারণ ১৪.২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের কানেকশন ছাড়লে পাওয়া যাবে আরও বড় অঙ্কের টাকা। সাধারণত এই বড় সিলিন্ডারের কানেকশন নেওয়ার ক্ষেত্রে ২২০০ টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট জমা করতে হয়, যা উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে ২০০০ টাকা। অর্থাৎ, কানেকশন সারেন্ডার করলে এই পুরো টাকাই ফেরত পাবেন গ্রাহক। এর পাশাপাশি রেগুলেটরের জন্য জমা থাকা ১৫০ থেকে ২৫০ টাকাও আলাদাভাবে রিফান্ড পাওয়া যায়।

এই রিফান্ডের টাকা সরাসরি নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেতে গেলে গ্রাহককে নির্দিষ্ট কিছু নথিপত্র নিয়ে নিজের গ্যাস এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করতে হবে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ নথিটি হলো ‘সাবস্ক্রিপশন ভাউচার’, যা কানেকশন নেওয়ার সময় দেওয়া হয়েছিল। এর সাথে লাগবে ডোমেস্টিক গ্যাস কনজিউমার কার্ড বা গ্যাস বুকিংয়ের নীল রঙের ছোট ডায়েরিটি। গ্রাহককে নিজের সিলিন্ডার এবং প্রেসার রেগুলেটরটি এজেন্সিতে গিয়ে জমা দিতে হবে, অথবা সামান্য চার্জের বিনিময়ে এজেন্সির কর্মীরা বাড়ি থেকেও তা সংগ্রহ করতে পারেন। সমস্ত কাগজপত্র ও যন্ত্রপাতি যাচাই করার পর গ্যাস এজেন্সি একটি ‘টার্মিনেশন ভাউচার’ ইস্যু করবে। এরপর গ্রাহকের দেওয়া ক্যানসেল চেক বা পাসবুকের বিবরণ অনুযায়ী মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই সিকিউরিটি ডিপোজিটের পুরো টাকা সরাসরি নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে আসবে।

[TECHTARANGA-POST:10216]

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *