০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা বিমানবন্দরে আচমকা বজ্রাঘাত, আতঙ্কের মাঝেই চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে ২ কর্মী!
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

বিমানবন্দরে আচমকা বজ্রাঘাত, আতঙ্কের মাঝেই চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে ২ কর্মী!

Share
বিমানবন্দরে আচমকা বজ্রাঘাত, আতঙ্কের মাঝেই চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে ২ কর্মী!
AI GENERATED IMAGE
Share

কলকাতা: সকাল থেকেই যেন মেঘের চাদরে মুখ ঢেকেছে তিলোত্তমা। শুক্রবার ভোরের আলো ফুটতেই শহর জুড়ে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি, আর তার সঙ্গেই চলছে একের পর এক ভয়ঙ্কর বজ্রপাত। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝেই এক চরম বিপত্তি ঘটল কলকাতা বিমানবন্দরে। সকালের দিকে রানওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বিমানে লাগেজ তোলার কাজ করছিলেন কর্মীরা। ঠিক তখনই আচমকা বিকট শব্দে বাজ পড়লে গুরুতর জখম হন বিমানবন্দরের দুই কর্মী। এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে রানওয়ে চত্বরে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তত্পরতায় তড়িঘড়ি ওই দুজনকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। বিমানবন্দর সূত্রের খবর, আহত কর্মীরা এই মুহূর্তে চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন এবং তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল।

[TECHTARANGA-POST:10087]

অন্যদিকে, রাতভর এবং সকালের এই টানা বর্ষণের জেরে কলকাতার একাধিক রাজপথ ও নিচু এলাকা ইতিমধ্যেই জলের তলায় চলে গিয়েছে। বিশেষ করে আইটি হাব সল্টলেক সেক্টর ফাইভের কলেজ মোড় ও উইপ্রো মোড়-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা এখন কার্যত নদীর রূপ নিয়েছে। অফিসযাত্রীদের অনেককেই হাঁটু সমান জল পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে, যার ফলে শহরের রাস্তায় যানবাহনের গতি অত্যন্ত ধীর। মহানগরের এই জলযন্ত্রণা থেকে আমজনতাকে রেহাই দিতে সকাল থেকেই পুরোদস্তুর ‘অ্যাকশন’ মোডে নেমে পড়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল। ধোঁয়াশা ও জলমগ্ন কলকাতার পরিস্থিতি নিজে চোখে দেখতে তিনি সশরীরে রাস্তায় নেমে পড়েন। এমনকি জল জমে যাওয়া আলিপুর চিড়িয়াখানাতেও পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। কীভাবে যুদ্ধকালীন তত্পরতায় পাম্প চালিয়ে জল বের করে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করা যায়, তা নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই পুরসভার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের একগুচ্ছ কড়া নির্দেশ দেন।

[TECHTARANGA-POST:10086]

শহরের এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখতে এবং জমা জলের যেকোনো সমস্যা মোকাবিলা করতে কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, শহরের কোথাও জল জমার বা গাছ উপড়ে পড়ার অভিযোগ আসামাত্রই সেখানে পুরকর্মীরা পৌঁছে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন। উত্তরবঙ্গের পর এবার দক্ষিণবঙ্গ তথা কলকাতাতেও বৃষ্টির এই বিধ্বংসী রূপ সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়ালেও, খোদ মন্ত্রীর রাস্তায় নেমে তদারকি করায় ক্ষোভ কিছুটা প্রশমিত হয়েছে নাগরিকদের। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ সারাদিনই আকাশ এমন মেঘলা থাকবে এবং আরও কয়েক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা কলকাতার জলমগ্ন পরিস্থিতিকে আরও কিছুটা জটিল করে তুলতে পারে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *