০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home কলকাতা ১৪ বছর পরও অধরা বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলার পুনর্তদন্ত চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ পরিবার
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

১৪ বছর পরও অধরা বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলার পুনর্তদন্ত চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ পরিবার

Share
১৪ বছর পরও অধরা বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলার পুনর্তদন্ত চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ পরিবার
ছবি সংগৃহীত
Share

আগামীকাল, ৫ জুলাই। ঠিক ১৪ বছর আগে এই দিনেই উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বিচার না মেলায় এবার নতুন করে তদন্তের দাবি তুলল তাঁর পরিবার।

[TECHTARANGA-POST:10573]

শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে এসে বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা পুনর্তদন্তের আবেদন জানান। তাঁদের অভিযোগ, এতদিন তদন্তের নামে শুধু প্রহসন হয়েছে। তাই হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতির তত্ত্বাবধানে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করে গোটা ঘটনার নতুন করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। ২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশন এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হয় বরুণ বিশ্বাসকে। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক ছিলেন এবং এলাকায় সমাজবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সরব মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৯ জন গ্রেপ্তার হলেও, তাঁদের মধ্যে একজনের জেলেই মৃত্যু হয়। বাকিরা বর্তমানে জামিনে মুক্ত। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনায় জড়িত আরও একাধিক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

[TECHTARANGA-POST:10572]

পরিবারের আরও দাবি, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে সেই সময় কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই অভিযোগ তাঁদের। তাই রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন সরকারের কাছে ন্যায়বিচারের আশায় ফের দরবার করেছেন তাঁরা। বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের এক সদস্য বলেন, তদন্তের নামে এতদিন প্রহসন হয়েছে। তাঁদের দাবি, অবসরপ্রাপ্ত হাই কোর্টের বিচারপতির তত্ত্বাবধানে SIT গঠন করে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা হোক এবং যাঁরা এখনও আইনের আওতার বাইরে রয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আগামীকাল বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকী। সেই আবহেই তাঁর পরিবারের এই আবেদন নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে। এখন রাজ্য সরকার এই দাবির প্রেক্ষিতে কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *