০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home বিশ্ব অর্থনীতি ডলার সাম্রাজ্যে ধস? চিনা মুদ্রায় তেল কেনাবেচার হুঁশিয়ারি আমিরশাহির, ট্রাম্পের ঘুম ওড়াল আরব দেশ!
অর্থনীতিবিশ্ব

ডলার সাম্রাজ্যে ধস? চিনা মুদ্রায় তেল কেনাবেচার হুঁশিয়ারি আমিরশাহির, ট্রাম্পের ঘুম ওড়াল আরব দেশ!

Share
ডলার সাম্রাজ্যে ধস? চিনা মুদ্রায় তেল কেনাবেচার হুঁশিয়ারি আমিরশাহির, ট্রাম্পের ঘুম ওড়াল আরব দেশ!
ছবি সংগৃহীত
Share

দুবাই: বিশ্ব অর্থনীতিতে কি তবে শেষ হতে চলেছে ‘পেট্রো-ডলার’-এর একাধিপত্য? ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের আবহে এবার আমেরিকার দীর্ঘদিনের বন্ধু দেশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) দিল চরম হুঁশিয়ারি! ওয়াশিংটনকে সাফ জানানো হয়েছে, যুদ্ধ না থামলে এবং ডলারের জোগান স্বাভাবিক না হলে এবার ডলার ছেড়ে চিনা মুদ্রা ‘ইউয়ান’-এ তেল বিক্রি শুরু করবে তারা! আরব দুনিয়ার এই সিদ্ধান্তে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় বিশ্ব বাজার।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত সপ্তাহে আমিরশাহির সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের গভর্নর খালেদ মহম্মদ বালামা মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এই কড়া বার্তা দিয়েছেন। আমিরশাহির দাবি, যুদ্ধের কারণে ডলারের বাজারে টান পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে ‘ডলার সাপোর্ট’ না দিলে বিকল্প হিসাবে চিনা মুদ্রায় লেনদেন শুরু করতে বাধ্য হবে তারা। ফলত, সাত দশক ধরে চলে আসা মার্কিন ডলারের দাপট এবার বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে!

[TECHTARANGA-POST:8196]

প্রসঙ্গত, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের আগুনে হাত পুড়েছে আমিরশাহিরও। পরিসংখ্যানে যা উঠে এসেছে তা ভয়াবহ। যেমন – যুদ্ধে আমিরশাহির প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আটকে রয়েছে। তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। এই বিশাল আর্থিক বিপর্যয় সামাল দিতে ট্রাম্প সরকারের কাছে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে ইউএই।

[TECHTARANGA-POST:8197]

এদিকে, গত শতাব্দীর চারের দশকের চুক্তি অনুযায়ী, সৌদি আরব ও অন্যান্য দেশ কেমালমাত্র মার্কিন ডলারে তেল বিক্রি করার বিনিময়ে আমেরিকার কাছ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল। কিন্তু, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণ বদলে যাচ্ছে। ইতিমধেই ভারতের বেসরকারি সংস্থাগুলি চিনা ইউয়ানে ইরানের তেল কিনতে শুরু করেছে। এখন যদি আমিরশাহির মতো দেশ ডলার ত্যাগ করে ইউয়ান ধরে, তবে বিশ্ব বাজারে ডলারের দাম হু হু করে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হল, বন্ধু দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে ডলারের মান বাঁচানো!

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *