০৫
আশ্বিন • October
রবিবার / Sunday
October 05, 2026
11:35:00 PM • রাত ১১:৩৫
Home ভারতবর্ষ অনুসন্ধান যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান থেকে দেশে ফিরলেন ৭০ জন ভারতীয় পড়ুয়া: বাসে সীমান্ত পেরিয়ে রোমহর্ষক উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রের
অনুসন্ধানবিশ্বভারতবর্ষ

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান থেকে দেশে ফিরলেন ৭০ জন ভারতীয় পড়ুয়া: বাসে সীমান্ত পেরিয়ে রোমহর্ষক উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রের

Share
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান থেকে দেশে ফিরলেন ৭০ জন ভারতীয় পড়ুয়া: বাসে সীমান্ত পেরিয়ে রোমহর্ষক উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রের
ছবি: সংগৃহীত
Share

পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ইরানে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরাতে বড়সড় সাফল্য পেল কেন্দ্র। রবিবার বিশেষ বিমানে আর্মেনিয়া হয়ে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন প্রায় ৭০ জন ভারতীয় পড়ুয়া। আকাশসীমা বন্ধ থাকায় সরাসরি বিমান পরিষেবা না মেলায় এক জটিল কিন্তু সফল উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে তাঁদের ফিরিয়ে আনা হলো। উদ্ধার হওয়া পড়ুয়াদের অধিকাংশই জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা।

[TECHTARANGA-POST:7349]

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের আকাশসীমা বন্ধ। ফলে তেহরান বা কোমের মতো শহরগুলো থেকে বিমান ওড়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। ভারত সরকারের উদ্যোগে আটকে পড়া পড়ুয়াদের প্রথমে বাসে করে নিয়ে আসা হয় ইরান-আর্মেনিয়া সীমান্তে। সেখান থেকে সীমান্ত পার করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান-এ। ইয়েরেভান থেকে ‘ফ্লাই দুবাই’-এর বিশেষ বিমানে দুবাই হয়ে অবশেষে দিল্লিতে পৌঁছান তাঁরা। চার দিনের দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর যাত্রা শেষে দেশের মাটিতে পা রেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন পড়ুয়ারা।

[TECHTARANGA-POST:7346]

ইরানে এখনও প্রায় ৯০০০ ভারতীয় রয়েছেন, যাঁদের বড় অংশই পড়াশোনার সূত্রে সেখানে ছিলেন। বিশেষ করে তেহরান এবং কোম শহরে তাঁদের ঘনত্ব সবথেকে বেশি। দিল্লিতে পৌঁছানো পড়ুয়াদের মধ্যে অনন্তনাগের বাসিন্দা তথা ডাক্তারি পড়ুয়া নইনা তঈবা জানান, এই কয়েক দিন চরম উদ্বেগের মধ্যে কাটিয়েছেন তাঁরা। জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের পক্ষ থেকে বিমানবন্দর থেকে তাঁদের বিশেষ বাসে করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। শীঘ্রই আরও ৬০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে দ্বিতীয় বিমানটি দিল্লিতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আগামী কয়েক দিনে দফায় দফায় বাকি ভারতীয়দেরও ফিরিয়ে আনা হবে বলে সূত্রের খবর।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *